নাজিরপুরে নদীতে কচুরিপানা আটকে থাকায় দুর্ভোগে এস.এস.সি পরীক্ষার্থী

পিরোজপুরের নাজিরপুরে বিলাঞ্চলের নদীতে কচুরিপানা আটকে থাকায় দূর্ভোগে  এসএসসি পরীক্ষার্থীরা, এলাকার ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার দূরত্বের মানুষের একমাত্র চলাচলের ভরসা এই নৌপথ। কিন্তু নির্মম পরিহাস, মাথায় হাত রেখে বিধাতাকে দোষারপ করা ছাড়া আর কিছুই যেন করার নেই বৈঠাকাটা, গাওখালী বাজার হয়ে মনোহরপুরসহ নিম্নাঞ্চলের মানুষগুলোর।

কচুরিপানা এমনভাবে আটকে আছে, যার ভেতর দিয়ে নৌযান চলাচল একেবারেই অসম্ভব তাই পরীক্ষার্থীরা পরছে বিপাকে। অথচ বাকি ২০ ভাগ মানুষের যাতায়াতের মাধ্যম কাঁচা রাস্তা। ফলে কৃষিপণ্য, নিত্যপণ্য বিক্রি করতে গিয়ে চরম লোকসানে পড়তে হচ্ছে একমাত্র কৃষিনির্ভর মানুষগুলোকে।

সরেজমিন দেখা যায়, দেউলবাড়ী ইউনিয়নের বিলডুমরিয়া গ্রামের অধিকাংশ খাল কচুরিপানায় আটকে রয়েছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা মো. আ. কুদ্দুস তালুকদার জানান, আমরা কচুরিপানার কারণে অত্যন্ত  জনদুর্ভোগ রয়েছি। এমনকি আমাদের সন্তানরা ও ঠিকমতো স্কুল-কলেজে যেতে পারে না। আমারদের যাতায়তের একমাত্র অবলম্বরন নৌকা। আধুনিক সড়ক ব্যবস্থা দ্রæত উন্নত করা না হলে অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও শিক্ষাগত দিক দিয়ে চরমভাবে পিছিয়ে থাকতে হবে বিলাঞ্চলের হাজার হাজার পরিবারকে।

সোনাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সরোয়ার হোসাইন জানান, দেউলবাড়ী দোবড়া ইউনিয়নটি দুর্গম নিম্নাঞ্চলে। বিশেষ করে এখানকার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম নৌকা। বছরের প্রায় সাত মাস কচুরিপানার কারণে শিক্ষার্থীরা সংকটে পড়ছে। এ কারণে বাল্যবিবাহ ও ঝরে পড়ার শংকা বৃদ্ধি পায়।

এ ব্যাপারে ৩নং দেউলবাড়ী দোবড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সুখরঞ্জন বালা বলেন, আমরা কচুরিপানা রক্ষার জন্য প্রতি খালে লোহার রড দিয়ে বেড়া দিয়েছি। কিন্তু ট্রলার চলাচলের কারণে তা ছিঁড়ে গেলে কচুরিপানা ঢুকে পড়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *