গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় হাইড্রোসাফেলাজ রোগে আক্রান্ত হয়ে দূর্বিসহ জীবন পার করছেন সম্পূর্ণা গাইন (৫ )। অর্থের অভাবে চিকিৎসাও চলছে না তার। ক্রমশ তার মাথার আকার ও ওজন অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। মেয়ের চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে ইতোমধ্যে নিজের সহায় সম্বল সব শেষ করে পথে বসেছে অসহায় পিতা মহন গাইন। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এলে হয়তো বেঁচে যাবে সম্পূর্ণা গাইনের জীবন।
টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের লেবুতলা গ্রামের বাসিন্দা মহন গাইনের মেয়ে সম্পূর্ণা গাইন। জন্মের পর থেকেই শিশু কন্যার চিকিৎসায় সর্বস্ব হারিয়েছে তার পরিবার। এরপর আকাশ ভেঙ্গে পড়ার মতো দুঃসংবাদ। হাইড্রোসাফেলাজ এর মত দূরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয় শিশু সম্পূর্ণা। দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ভারত এবং দেশে চিকিৎসায় ব্যয় হয়ে গেছে প্রায় ১০ লাখ টাকা। এই টাকা যোগাড় করতে গিয়ে চড়া সুদে ঋণ নিয়েছেন কয়েক লাখ টাকা।
চিকিৎসকের মতে তার এই রোগের চিকিৎসা এখনই করা বাধ্যতামূলক। না হয় তার জীবন হুমকির মুখে। এতে প্রায় আরো ১০ লাখ টাকার দরকার।
সম্পূর্ণার বাবা মহন গাইন বলেন, বর্তমানে চিকিৎসার খরচ দূরে থাক তাদের পরিবারের খরচও জুটছে না। প্রতিবেশীদের সহযোগীতায় কোনোরকম দিন যাচ্ছে।
সম্পূর্ণার মা বলেন, তার মেয়ে দীর্ঘ ৫ বছর চিকিৎসা করতে গিয়ে তাদের জমানো টাকা, সম্পদ যা ছিলো সব শেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে মেয়ের অসুস্থতার কারণে পরিবার মানবিতর জীবন যাপন করছে । বর্তমানে তার শিশু কন্যা সম্পূর্ণা গাইন জীবনযুদ্ধে লড়াই করছে। মেয়ের চিকিৎসায় এগিয়ে আসতে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী মা জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে মানবিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।