গোপালগঞ্জ সাহাপুর ইউনিয়নে সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত ব্যাবসায়ী বাবুল ঢালী

সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি ঘটে গেপালগঞ্জ জেলার সাহাপুর ইউনিয়নের ঘোষাল কান্দী গ্রামে। গোপালগঞ্জ জেলা সদরের সাহাপুর ইউনিয়নের ঘোষালকান্দি গ্রামের বাবুল ঢালী (৪২), পিতা মৃত- ননী গোপাল ঢালী নামক এক ব্যাবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন স্থানিয় প্রভাবশালী লোকজন। বাবুল ঢালী কে কুপিয়ে ক্ষ্যান্ত হননি তারা, তার স্ত্রী সিনিয়র স্টাফ নার্স ২৫০ শয্য বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল গেপালগঞ্জ-এ কর্মরত লচমী মজুমদা কে বেধরক মারধর করে ও তার সন্তান মুন ঢালী (৭) ও স্টার ঢালী(৬) কে হাত ও মুখ বেঁধে পুকুরে ফেলে দেয়, স্থানীয় লোকজন বাচ্চা দুটিকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে।

ঘটনা স্থলে গেলে জানা যায় এলাকার প্রবাবশালী ১০/১৫ জন সন্ত্রাসী সকাল ৯টার দিকে তার বাড়িতে এসে বাবলু ডালীকে এলোপাথাড়ি রামদা, হাতুড়ী দিয়া মারতে থাকে, এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা বাবলুকে পাসের পুকুরে ফেলে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে ২৫০ শয্য বিশিষ্ঠ গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেলে প্রেরন করা হয়।

এলাকাবাসীরা জানান, সন্ত্রাসী বাহীনির নেতৃত্ব দেয় বাবু বিশ্বাস পিতা মৃত- কার্তীক বিশ্বাস, গোপন সুএে যানা যায় বাবু বিশ্বাস একই গ্রামের শ্যামলী বিশ্বাস, স্বামী দীলিপ বিশ্বাস, হত্যা মামলার আসামী। শ্যামলী বিশ্বাস কে পুড়িয়ে মেরে ফেলা হয়। বাবুল ঢালীর উপর হামলার সময় তার সাথে ছিল রাহুল বিশ্বাস বুলেট, অরুন কিত্তনীয়া, তরুন বিশ্বাস, রাপ্পা পান্ডে, গঙ্গা বিশ্বাস, রিন্টু বিশ্বাস, মৃনাল বিশ্বাস, পিন্টু ঢালী সহ আরও অনেকে।

একই গ্রামের ববিতা বিশ্বাস বলেন, সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রেহায় পাইনি বাবলু ডালীর ছোট বাচ্চা দুটি মেয়ে। মেয়েরা চিৎকার করলে বাবু বিশ্বাসের স্ত্রী শ্যামলী বিশ্বাস, রেনুকা বিশ্বাস ও শ্যামলী পান্ডে বাচ্চা দুটির হাত ও মুখ বেঁধে পাশের পুকুরে ফেলে দেয়। স্থানীয় লোকজন এসে বাচ্চাদেরকে উদ্ধার করে।

আহত বাবলু ঢালীর স্ত্রী লচমি মজুমদার বলেন, দির্ঘ্যদিন যাবৎ আমার দেবর পিন্টু ঢালী ও তার সহযোগিরা আমার স্বামী ও আমার পরিবারের উপর অত্যাচার করে আসছে, আমার স্বামীকে মেরে ফেলার হুমকী দিয়েছে। তাদের অত্যাচারে ভয় পেয়ে আমি পূর্বেই কতক আসামীদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেড আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনের ১০৭/ ১১৭ (৩) ধারা মতে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করি। সন্ত্রাসীরা মামলা হইছে খবর জানিতে পারিয়া আমার স্বামীকে মেরে ফেলার উদ্দশ্যে রামদা ও হাতুরী দিয়ে এলোপাথারি কুপিয়ে ফেলে রেখে চলেযায়।আমার ছোট দুই কন্য মুন আর স্টার ও তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। আমার শিশু বাচ্চা দুটিকেও হাত মুখ বেধেঁ ফেলে রেখে যায় । আমার স্বামীকে মেরেও সান্ত্রাসীরা বসে নেই, নানা ভাবে আমাদেরকে হুমকি দিচ্ছে। আমরা নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি। আমি ও আমার পরিবারের নিরাপত্তা চাই। সরকারের কাছে আমার এই দাবি।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *