টুঙ্গিপাড়ায় কৃষকের কান্না, কয়েক মিনিটের ঝড়ে শেষ স্বপ্ন!


গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বিলাঞ্চলে ইরি ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রবিবার রাতে কয়েক মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ে হাজারও কৃষকের স্বপ্ন মুহূর্তে বিলীন হয়ে গেছে। শীষে ধান নেই, জমিতে শুধু ধান গাছ দাঁড়িয়ে আছে। আর যে টুকু আছে সে গুলো তে ধান এর সংখ্যা খুবই কম। সোমবার সকাল থেকে টুঙ্গিপাড়ায় চলছে কৃষকদের আর্তনাদ। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ইরি ধানের ফলন ভালো হয়েছে।
লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হবে বলে আশা ছিল কৃষকের। ২৮,হিরা ধানের পাশাপাশি উৎপাদন হচ্ছে বিভিন্ন জাতের হাইব্রিড ধান। কষ্টে ফলানোর সোনার ফসল ঘরে তুলার আশায় অনেকেই ব্যস্ত প্রহর গুনছিলেন। গেল কয়েক বছরের চেয়ে এবার উপজেলায় ইরি ধানের বাম্পার ফলনও হয়েছিল। বেশির ভাগ জমির ধানই পরিপক্ক হতে শুরু করেছিল। ধান ঘরে তুলতে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন কৃষক-কৃষাণীরা।
কিন্তু গত রবিবার রাতের কয়েক মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ের গরম বাতাস যেন কৃষকদের সব স্বপ্ন বিলীন করে দিয়েছে। ধার-দেনা করে এক ফসলী জমির ফসল হারিয়ে পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই কৃষকের। অনেকেই জানান, এক ফসলী ইরি জমির ফসল দিয়ে সারা বছর পরিবার নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। রবিবার রাতের কয়েক মিনিটের গরম বাতাসে জমির সব ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। ঋণ করে ধান রোপণ করেছিলেন তারা।
এখন সারা বছর খাবেন কী আর কী দিয়ে পরিশোধ করবেন ঋণ। ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা বলেন,গত রাতের কালবৈশাখী ঝড়ে কৃষদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, তা অপূরণীয়। আমাদের লোকজন মাঠে আছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য এখনো বলা যাচ্ছে না।