মোচনা ইউপি নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় এগিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী এমদাদ মোল্যা


নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই গরম হয়ে উঠছে রাজনীতির মাঠ। সকাল হতে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত পথে ঘাটে চায়ের দোকানে চলে নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা। আসন্ন ১৩ নং মোচনা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে শক্ত প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন মো. এমদাদ হোসেন মোল্যা। গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন আওয়ামী শ্রমিক লীগ ও সাবেক সহ-সভাপতি ঢাকা বিভাগ আওয়ামী শ্রমিক লীগ,মোচনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ প্রেমীদের ও জনগণের বন্ধু এবং সমাজ সেবক।
তাকে ঘিরেই সর্বত্র চলছে আলোচনা। দলের নেতা-কর্মীদের চাওয়া মোচনা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মো. এমদাদ হোসেন মোল্যার কোন বিকল্প নাই। রাজপথের লড়াকু এ নেতার তৃণমূলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে সর্বমহলে। পারিবারিক ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির ধারক-বাহক এ নেতা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হলে সবাই জোটবদ্ধ হয়ে তার পক্ষে মাঠে নামবে বলে মনে করেন অনেকে। আসন্ন ইউপি নির্বাচনের হাওয়া শুরুর প্রস্তুতি সর্বত্র। দলীয় নেতা-কর্মিরাও চাঙ্গা হয়ে উঠছেন। অনেকেই এমদাদ হোসেন মোল্লার পক্ষে আগাম প্রচার-প্রচারনায় নেমেছেন।
সিনিয়র নেতাদের সাথেও নিয়মিত লবিং চালিয়ে আসছেন নেতারা। যে কোন মূল্যে মনোনয়ন পেতে চেষ্টা করছেন দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। মোচনা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের আওয়ামী লীগ পরিবারের মরহুম ইউনুস মোল্যার সুযোগ্য সন্তান ও বীর মুক্তিযুদ্ধা সৈয়দ আলী খন্দকার এর একমাত্র জামাতা মোঃ এমদাদ হোসেন মোল্লা। মোচনা ইউনিয়নের বাসিন্দা ওসমান উদ্দিন জানান, মোঃ এমদাদ হোসেনের এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। ছাত্র ও যুব সমাজের মাঝেও তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। দীর্ঘদিন রাজপথে সরব থাকা এ নেতাকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে চান দলীয় কর্মীরাও। তিনি প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। ইউনিয়নের একাধিক নেতা জানান, এমদাদ হোসেন মোল্যা তৃণমূলের জনপ্রিয় নেতা। সব সময় তাকে মাঠে পাওয়া যায়।
বিপদে-আপদে নেতা-কর্মীরা তাকে কাছে পান। যে কোন দলীয় সভায় তার সরব উপস্থিতি থাকে। সব থেকে বেশি নেতা-কর্মী আছে তার সাথে। এ কারনে আমরা জনপ্রিয় আওয়ামীলীগের নেতা এমদাদ হোসেন মোল্যা ভাই এর জন্য সকলের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করি। বয় বৃদ্ধ জুলফিকার আলী সাংবাদিকদের আরও জানান এমদাদ হোসেন মোল্যা দীর্ঘদিন যাবত আমাদের ইউনিয়নের গরীব অসহায় মানুষের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে আসছেন এবং প্রথম মহামারী করোনা কালীন সময়ে কর্মহীন মানুষের মাঝে নগদ টাকা চালডাল তেল সহ প্রায় ৮ শতাধিক মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। দ্বিতীয় মহামারী করোনা কালীন সময়ে প্রায় ১২ শতাধিক কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করেন।
রোজার ঈদে শাড়ি কাপড়, লুঙ্গি,পাঞ্জাবী,জায়নামাজ প্রায় ৪ হাজার ৫ শত মানুষের মাঝে বিতরণ করেন।শীত কালীন সময়ে প্রায় ১২ শতাধিক শীতের কম্বল অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে বিতরণ করেন। ইউনিয়নের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সহ মসজিদ,মাদ্রাসা,এতিমখানা ও মন্দিরে ব্যাপক অনুদান দিয়ে সহযোগিতা করছেন। গত দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্ম অবলম্বনকারী ভাই বোনদের মাঝে ছয় শতাধিক শাড়ি কাপড় ও লুঙ্গী বিতরণ করেন এবং মোচনা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় খাল পারাপারের জন্য বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং আমাদের এমপি মুহাম্মদ ফারুক খানের কাছে আমার আকুল আবেদন এই মানবিক সমাজ সেবক জনগণের বন্ধু এমদাদ হোসেন মোল্যাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কার মনোনয়ন দিয়ে মোচনা ইউনিয়ন বাসির সেবা করার সুযোগ দিবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।
আওয়ামী লীগের দুর্দিনের কর্মী এমদাদ হোসেন মোল্যার সাথে একান্ত আলাপ কালে তিনি সাংবাদিকদেরকে বলেন, মোচনা ইউনিয়নের প্রতিটি এলাকা আওয়ামী লীগ সংগঠনকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছি। সরকারের ভিশন সবার মাঝে পৌঁছে দিতে কাজ করছি। মানুষের দৌড় গড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছি। দলীয় সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও মুকসুদপুর কাশিয়ানীর রুপকার জননন্দিত নেতা মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি তরুণ নেতাদের তৃণমূল থেকে তুলে আনছেন। তাঁরা যদি আমাকে মনোনয়ন দেন তাহলে অন্যদের তুলনায় বেশি ভোটে জয়ী হয়ে মোচনা ইউনিয়ন বাসীর এবং মোচনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারব বলে আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি।
এমদাদ হোসেন আরো বলেন মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের দলিও প্রতিটি অনুষ্ঠানে আমার কষ্টে অর্জিত নিজ তহবিল হইতে নগদ অর্থ দিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ সহযোগিতা করে আসছি ভবিষ্যতেও করব ইনশাআল্লাহ। এমদাদ হোসেন মোল্যা ইউনিয়ন ও দেশ বাসীর কাছে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার এবং এমপি মুহাম্মদ ফারুক খানের পরিবারের জন্য দোয়া কামনা করেন।