মহামারী করোনা ভাইরাস এর ২য় ঢেউ মোকাবেলায় বরিশালে ৯৬৭ টি মসজিদে,এক যোগে জুমআ’র নামাজের পূর্বে জনসচেতনতা মূলক বক্তব্য প্রদানের আহ্বান (বি.এম.পির)


আজ ০৩ রা ডিসেম্বর ২০২০ ইং রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১.০০ ঘটিকায় বি.এম.পি কমিশনার মাননীয় জনাব মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন খান (বি.পি.এম.বার) মহোদয়ের সভাপতিত্বে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে চলমান বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস এর ২য় ঢেউ মোকাবেলায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের করণীয় সম্পর্কে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বি.এম.পি কমিশনার জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন খান (বি.পি.এম.বার) বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস এর সূচনা লগ্ন থেকে বরিশাল মেট্রোপলিটন সর্বস্তরের পুলিশ কর্মকর্তারা তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অত্যন্ত কর্তব্য ও নিষ্ঠার সহিত পেশাদারিত্ব ছাপিয়ে মানবিক পুলিশ হিসেবে যেভাবে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে সেই ধারা অখুন্য ও অব্যাহত রাখতে হবে।
মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয় আরো বলেন, যেহেতু করোনা মহামারী মোকাবেলায় আই.ই.ডি.সি.আর(I.E.D.C.R) এবং ডব্লিউ.এইচ.ও (W.H.O) কর্তৃক ঘোষিত এবং বাধ্যগত স্বাস্থ্য বিধিমালা যেমন, নাক-মুখ ঢেকে সঠিক নিয়মে মাস্ক পরিধান করা, কোনো কিছু স্পর্শ করার পূর্বে এবং পরে ২০ সেকেন্ড ধরে ভালোভাবে সাবান-পানি অথবা হেন্ড-সেনিটাইজার পানি দিয়ে হাত পরিষ্কার করা,তাছাড়া সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কোন বিকল্প নেই সেহেতু যেকোনো মূল্যে জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সচেতন করতে হবেই।
তারই অংশ হিসেবে করোনা মহামারী মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সর্বস্তরের জনগণকে সচেতন করা ও পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিট পুলিশিং, কমিউনিটি পুলিশিং, ওপেন হাউজ ডে সহ নানাবিধ বিষয় নিয়ে আগামীকাল শুক্রবার ইংরেজি ০৪-১২-২০২০ ইং তারিখ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সুযোগ্য কমিশনার মহোদয় সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও সকল স্তরের সদস্যরা বরিশাল মহানগরীর আওতাধীন মোট ৯৬৭ টি মসজিদে উপস্থিত হয়ে জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা সহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ তথা বরিশাল নগরীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনগণের করণীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে বক্তব্য প্রদান করিবেন।
উল্লেখ্য যে, জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতিপূর্বে, মাননীয় বি.এম.পি কমিশনারের নেতৃত্বে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক মহানগরীতে সচেতনতামূলক বর্ণাঢ্য র্যালী, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্পটে সচেতনতামূলক সভা ও মাস্ক বিতরণ সহ বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে এবং এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।