বিসিসি মেয়র নিজে ট্রলার চালিয়ে কির্ওনখোলা নদীতে সপরিবারে ভ্রমণ করলেন


নিজে ট্রলার চালিয়ে কীর্তনখোলায় ঘুরলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন মেয়র পত্নী লিপি আবদুল্লাহ ও কনিষ্ঠ ছেলে আরশান আবদুল্লাহ ছিলেন। গত সোমবার ১১ জুলাই পবিত্র ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিন বিকেলে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে নিজে ট্রলার চালিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ানোর দৃশ্য মেয়রের নিজস্ব অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে লাইভে দেখা যায়। সরাসরি অনলাইন লাইভে দেখা যায়-বিসিসি মেয়র তার পরিবার নিয়ে বরিশাল নগরীর বিনোদন কেন্দ্র কীর্তনখোলা নদীর তীর সংলগ্ন ত্রিশ গোডাউন এলাকা থেকে একটি ট্রলারে উঠেন। পরে ট্রলারটি নিজে চালিয়ে কীর্তনখোলার বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়ান। সে সময় কীর্তনখোলা নদীর বরিশালের অপর প্রান্ত চরকাউয়া এলাকায় নিজেদের পরিত্যক্ত ইটভাটা সন্তানকে ঘুরে দেখান। পরে ট্রলারের মাঝি মেয়রকে পেয়ে চাঁদমারি খেয়া ঘাটের ইজারাদার কর্তৃক ট্রলার প্রতি ৩০ টাকা করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়টি অবগত করেন। মেয়র ট্রলার মাঝির অসহায়ত্বের কথা শুনে তাৎক্ষণিক চাঁদমারি খেয়াঘাটের ইজারাদার কর্তৃক ট্রলার প্রতি অতিরিক্ত অর্থ আদায় থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করেন এবং সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। সে সময় মেয়র বলেন, অনেক আগে থেকেই সকল খেয়াঘাটের টোল ইজারা মুক্ত করা হয়েছে। শুধুমাত্র যাত্রীরা খেয়া পারাপারের ভাড়া দিবে। কোনো খেয়াঘাটে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না আর যদি কারো টাকা লাগে আমি দেব। পরে মেয়র ট্রলার চালিয়ে কীর্তনখোলা নদীর উপর নির্মিত শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত (দপদপিয়া সেতু) এলাকা ঘুরে দেখেন। ট্রলারে ভ্রমণের ওই সময়ে নদীতে ভ্রমণপিপাসুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এর আগে, মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ নগরীর কালিবাড়ী রোডস্থ বাসভবন থেকে একটি মোটরসাইকলে স্ত্রীকে নিয়ে বরিশালের বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র ঘুরে ত্রিশ গোডাউন কির্ওনখোলা নদীর তীরে গিয়ে থামেন এবং সেখানে ঘুরতে আসা নগরবাসীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে তাদের সাথে সেলফি তোলেন। পরে সেখান থেকে ট্রলার নিয়ে কীর্তনখোলা নদীতে সপরিবারে দীর্ঘ সময় নিজে ট্রলার চালিয়ে ঘুরে বেড়ান।