বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তদারকিতে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে আনুমানিক প্রায় ৩৯ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পদ্মা ব্রীজ রেললিংক প্রকল্পের কাজ


ঢাকার কমলাপুর থেকে শুরু হয়ে রেল প্রকল্প টি পদ্মা বহুমুখী সেতু ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা হয়ে যশোরের রূপদিয়া এবং সিংগিয়া সাথে মিলিত হবে। ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত কাজটি দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। যার পরিমাপ ১৬২ দশোমিক ৫০০ কিলোমিটার রেল লাইন। প্রকল্পটি বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক নিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি(crec) কর্তৃক নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পটির পরামর্শক হিসেবে নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পরিচালিত কনস্ট্রাকশন, সুপারভিশন, কনসালটেন্ট(csc) যার অধীনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের প্রকৌশলী কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং দেশি-বিদেশি অভিজ্ঞ পরামর্শগন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
এই প্রকল্পটি দুটি ফেইজ এ বিভক্ত প্রথমটি ঢাকা থেকে ভাংগা এবং দ্বিতীয়টি ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত। দ্বিতীয় ফেইজ ২০২০ সালের প্রথমদিকে শুরু হয় এবং ২০২৪ সালে শেষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। কাশিয়ানী রিপোর্টার্স ফোরাম টিম সরোজমিনে উন্নয়ন চিত্র ধারন কল্পে দেকতে পায় রেলরোড এর বেশকিছু কালভার্ড ব্রীজ আন্ডারপাস দৃশ্যমান হয়েছে এবং প্রকল্পটির প্রায় ২২ থেকে ২৩ শতাংশ কাজের অগ্রগতি হয়েছে বলে অনুমান করা যাচ্ছে। প্রকল্পের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কিছু কর্মকর্তা দের সাথে কাজের অগ্রগতি ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতার তথ্য জানতে চাইলে ওনারা তাদের কর্ম তৎপরতা ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রশংসা ব্যক্ত করেন। বর্তমানে করোনার মহামারী কঠিন সময়ের মধ্যে ফেইজ২ এর কাজ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে চলমান। স্থানীয় জনগণ অত্যন্ত আশাবাদী এবং বিশ্বাস করেন প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে তাদের জীবন মানের অনেক উন্নতি সাধিত হবে।