নড়াইলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ

নড়াইলের নোয়াগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নিলেন সভাপতি। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ২৯নং নোয়াগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি মূল্যবান গাছ কেটে নিলেন স্কুল কমিটির সভাপতি সৈয়দ শিওন সাইফ কবির। সরোজমিনে গিয়ে জানাগেছে, নোয়াগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে একটি বরই গাছ ও একটি কাঁঠাল গাছ কেটে নিয়ে গেছে অত্র স্কুল কমিটির সভাপতি কবির। এসময় স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা হলে তারা প্রথমে কেউ ভয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয়নি, এবং কমিটির সভাপতির নাম প্রকাশ করতে চান নাই, এসময় স্কুলের সামনে দোকানদার হেমায়েত জানান সভাপতি কবির লোক দিয়ে গাছ গুলা কেটে নোয়াগ্রামের সৈয়দ মুনজুর এর ঘোড়ার গাড়িতে নিয়ে গেছে তা আমি দেখেছি ওরা খারাপ মানুষ আমি প্রতিবন্ধী কিছু বললে বিপদে পড়বো।

এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন ক্ষমতার দাপটে ওই এলাকায় কবির অনেক খারাপ কাজ করে থাকেন, তারা আরও বলেন ওই এলাকার প্রবাসী মিজান হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি সভাপতি কবির, তাদের সামনে কথা বলে এলাকায় থাকা দুষ্কর তা না হলে কিভাবে স্কুলের গাছ ভোরবেলাতে কেটে নিয়ে গেলো। এ বিষয়ে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.জাকির হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন স্কুল বন্ধ ছিলো, আমি ছিলাম না, গাছ কাটার ঘটনা শুনেছি স্কুল কমিটিদের বলেছি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য, প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন আরো বলেন আমি সরকারি চাকরি করি অনেক কিছু দেখেও না দেখার ভান করে থাকতে হয়। তবে অভিযুক্ত সভাপতি সৈয়দ শিওন সাইফ কবির এর কাছে গাছ কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন এবং সাংবাদিকদের উপর চড়াও হয়ে উল্টো পাল্টা কথা বলেন।

গাছ কাটার বিষয়ে তিনি থানায় অভিযোগ করেছেন ও কারা গাছ কেটেছে তা তিনি জানেন না বলে জানান। গাছ কাটার বিষয়ে লোহাগড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো.সাইফুজ্জামান খান এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে জানতে পেরেছি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি সুনির্দিষ্ট কাউকে এখনো পায়নি, আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এ বিষয়ে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী আজগর এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, গাছ কাটার বিষয়টা খুবই দুঃখজনক তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *