টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি- প্রধানমন্ত্রী


জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসে জাতির পিতার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় সকালে জাতির পিতার সমাধিতে তাঁরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে শিশু সমাবেশে যোগ দিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মানবিক গুণাবলী নিয়ে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে শিশুদের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসে পিতৃভূমি টুঙ্গিপাড়ায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সপরিবারে সেখানে পৌঁছালে স্বাগত জানান বঙ্গবন্ধু কন্যা ।
পরে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ১০:৪৩ মিনিটে প্রথমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি পরে প্রধানমন্ত্রী।
এসময় গার্ড অব অনার দেয়া হয় ও বিউগলে করুন সুর বেজে ওঠে। পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ ১৫ ই আগস্ট নিহত সকলের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।
পরে রাষ্ট্রপতির পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এরপর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা। এছাড়াও শেখ পরিবারে পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সংসদ উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য আমির হোসেন আমু, প্রেসিডিয়ামের অন্যতম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, শাহাজান খান এমপি, বাহাউদ্দিন নাসিম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল এমপি, শেখ কবির হোসেন, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুব আলী খান, সাধারণ সম্পাদক জিএম শাহাবুদ্দিন আজম, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ আবুল বশার খায়ের, সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাবুল শেখ, পৌর মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুল, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফোরকান বিশ্বাস, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ রেজাউল হক বিশ্বাস প্রমূখ।
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি ঢাকায় ফিরলেও প্রধানমন্ত্রী মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত শিশু সমাবেশের অনুষ্ঠান অংশ নেন।
পরে বেলা ১১:৪৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু সমাধি কমপ্লেক্সে স্নেহা ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত শিশু সমাবেশে অংশ নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার তুলে দেন সরকার প্রধান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে শিশুদের সুরক্ষা ও কল্যাণে কাজ করেছে। আজকের শিশুদের স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট জনগোষ্ঠী হিসেবে গড়ে তুলতে সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।
পড়ালেখার ও খেলাধূলার পাশাপাশি শিশুদের মানবিক গুণাবলি এবং ত্যাগ স্বীকারের মানসিকতা নিয়ে বড় হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠান শেষে শিশুদের পরিবেশিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
পরে সড়ক পথে তিনি টুঙ্গিপাড়া থেকে বিকাল ৪.১৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করেন।