চুয়াডাঙ্গায় সদর থানার পুলিশ আলমসাধু চোর চক্রের ৭’সদস্য কে গ্রেপ্তার করে।


চুয়াডাঙ্গায় আলমসাধু চোর চক্রের ৭’সদস্যকে গ্রেপ্তার করাসহ ৯টি চোরাই আলমসাধু উদ্ধার করেছে সদর থানার পুলিশ। এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে চুরি করা আলমসাদুর ডিজাইন পরিবর্তন করার যন্ত্রপাতিও উদ্ধার করে পুলিশ। গত সোমবার বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আলমডাঙ্গা থানার বড় গাংনী ও জীবননগর উপজেলা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার খোরদ গ্রামের ষ্ট্যান্ড পাড়ার আশরাফ আলীর ছেলে বাশি (৩৫), চিৎলা রুইতনপুর গ্রামের আত্তাব উদ্দীনের ছেলে আসান আলী (৩৫), বড় গাংনী গ্রামের বাজার পাড়ার আতাউর রহমানের ছেলে আইনুল হোসেন (৩০), একই এলাকার তারিফ মোল্লার ছেলে সাইনাল মোল্লা (২৭), মৃত আদম মন্ডলের ছেলে সোহরাব উদ্দীন (৩৫), ছোট গাংনী গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে রকিবুল হোসেন (২৩) ও জীবননগর উপজেলার মেদিনিপুর স্কুল পাড়ার আব্দুস সাত্তার মন্ডলের ছেলে ইদ্রিস হোসেন (৩৭)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত এক মাস পূর্বে আলমডাঙ্গা উপজেলার ভোগাইল বগাদি সোহাগ মোড় এলাকার আলমসাধু চালক হাফিজুর রহমানের একটি আলমসাধু চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ভালাইপুর মোড় থেকে হারিয়ে যায়। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করেও তার হারানো আলমসাধুটি না পেয়ে গত ১৯- অক্টোবার চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। এ ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ আবু জিহাদ খানের নেতৃত্বে চোর চক্রটিকে ধরতে মাঠে নামেন উপ পরিদর্শক (এসআই) হাসান্ধুসঢ়;জ্জামানসহ সদর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল। বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে আলমডাঙ্গা উপজেলার খোরদ গ্রামের বাশি ও চিৎলা রুইতনপুর গ্রামের আসান আলীকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকী ৫জনকে গ্রেপ্তার করাসহ বড় গাংনী থেকে ৮টি ও জীবননগর মেদিনিপুর থেকে ১টিসহ মোট ৯টি আলমসাধু উদ্ধার করা হয়। একই সাথে গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে আলমসাধুর ডিজাইন পরিবর্তন করার বিভিন্ন যন্ত্রপাতিও উদ্ধার করে পুলিশ। আলমসাধু চোর চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ খান জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ৯টি আলমসাধু উদ্ধার করাসহ আসামীদের সংশ্লিষ্ট মামলাতে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।