চুয়াডাঙ্গায় আন্তঃনগর শীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে নিউ মার্কেটের কর্মচারী সম্রাট নামের এক যুবক নিহত।

চুয়াডাঙ্গায় আন্তঃনগর শীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে সম্রাট নামের এক যুবক নিহত হয়। শনিবার (১০ই অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১১,১০ মিঃ চুয়াডাঙ্গা পৌর এলকার। ফার্মপাড়ার খোলা রেলক্রসিংয়ের নিকট এ ঘটনা ঘটে। নিহত সম্রাট (১৭) চুয়াডাঙ্গা জেলার পৌর এলাকায় থেকে কাজ করে, কিন্তু তার আসল বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলা, দামুড়হুদা উপজেলার বড়দুধপাতিলা গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে এবং চুয়াডাঙ্গা সমবায় নিউ মার্কেটের সু মেলায় কাজ করে, নিহত সম্রাট তার মাকে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ফার্মপাড়ায় ভাড়ার বাড়িতে বসবাস করে আসছে।
এলাকাবাসীর দাবী খোলা রেল গেটের গেটকিপারের উদাসিনতার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই গেটকিপার পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা জানান, গতকাল রাতে খুলনা থেকে পার্বতীপুরগামী আন্তঃনগর শীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গা ফার্মপাড়া খোলা লেভেলক্রসিং অতিক্রম করছিলো। এ সময় সম্রাট নামের ওই যুবক খোলা রেললাইন দিয়ে পার হওয়ার সময় আন্তঃনগর শীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের নীচে পড়ে সম্রাটের শরীর দ্বিখন্ডিত হয়ে যায়। নিহত সম্রাটের মা জীবন্নারা জানান, সম্রাট চুয়াডাঙ্গা সমবায় নিউ মার্কেটের সু মেলা নামের একটি জুতার দোকানে কাজ করে।
দোকানের কাজ শেষে প্রায় সে অনেক রাতে বাড়ীতে ফেরে। গতকালও সম্রাট দোকানের কাজ শেষে বাড়ী ফিরছিলো। এলাকাবাসীর নিকট খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। এদিকে, এলাকাবাসীর অনেকে অভিযোগ করে বলেন, ফার্মপাড়ার খোলা রেলক্রসিংয়ে দ্বায়িত্বরত গেটম্যান ঠিকমতো তার দ্বায়িত্ব পালন না করে বেশীরভাগ সময় তার কক্ষে ঘুমিয়ে থাকে। গতকাল রাতে যখন আন্তঃনগর শীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি ফার্মপাড়ার রেলগেট অতিক্রম করছিলো ওই সময় দ্বায়িত্বে থাকা গেটম্যান তার কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে এমন সংবাদ শেনামাত্র গেটম্যান গোপণে সটকে পড়েন।
এদিকে, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার টহলরত পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গেলেও রেলওয়ের কোন পুলিশকে সেখানে দেখা যায় নি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সম্রাটের মৃতদেহ ওই স্থানে পড়ে ছিলো।চুয়াডাঙ্গায় আন্তঃনগর শীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে সম্রাট নামের এক যুবক নিহত হাফিজুর রহমান স্টাফ রিপোর্টার : চুয়াডাঙ্গায় আন্তঃনগর শীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে সম্রাট নামের এক যুবক নিহত হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে চুয়াডাঙ্গা ফার্মপাড়ার খোলা রেলক্রসিংয়ের নিকট এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সম্রাট (১৭) চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার বড়দুধপাতিলা গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে এবং চুয়াডাঙ্গা সমবায় নিউ মার্কেটের সু মেলার কর্মচারী। নিহত সম্রাট তার মাকে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ফার্মপাড়ায় ভাড়ায় বসবাস করে আসছে। এলাকাবাসীর দাবী খোলা রেল গেটের গেটকিপারের উদাসিনতার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই গেটকিপার পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা জানান, গতকাল রাতে খুলনা থেকে পার্বতীপুরগামী আন্তঃনগর শীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গা ফার্মপাড়া খোলা লেভেলক্রসিং অতিক্রম করছিলো। এ সময় সম্রাট নামের ওই যুবক খোলা রেললাইন দিয়ে পার হওয়ার সময় আন্তঃনগর শীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের নীচে পড়ে সম্রাটের শরীর দ্বিখন্ডিত হয়ে যায়।
নিহত সম্রাটের মা জীবন্নারা জানান, সম্রাট চুয়াডাঙ্গা সমবায় নিউ মার্কেটের সু মেলা নামের একটি জুতার দোকানে কাজ করে। দোকানের কাজ শেষে প্রায় সে অনেক রাতে বাড়ীতে ফেরে। গতকালও সম্রাট দোকানের কাজ শেষে বাড়ী ফিরছিলো। এলাকাবাসীর নিকট খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। এদিকে, এলাকাবাসীর অনেকে অভিযোগ করে বলেন, ফার্মপাড়ার খোলা রেলক্রসিংয়ে দ্বায়িত্বরত গেটম্যান ঠিকমতো তার দ্বায়িত্ব পালন না করে বেশীরভাগ সময় তার কক্ষে ঘুমিয়ে থাকে।
গতকাল রাতে যখন আন্তঃনগর শীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি ফার্মপাড়ার রেলগেট অতিক্রম করছিলো ওই সময় দ্বায়িত্বে থাকা গেটম্যান তার কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে এমন সংবাদ শেনামাত্র গেটম্যান গোপণে সটকে পড়েন। এদিকে, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার টহলরত পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গেলেও রেলওয়ের কোন পুলিশকে সেখানে দেখা যায় নি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সম্রাটের মৃতদেহ ওই স্থানে পড়ে ছিলো।বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় সম্রাট একজন কর্মচারী হলেও সবাই তাকে ভালো বাসতেন বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে সম্রাটের মধুর মিলন সম্পর্ক ছিলো,, সম্রাটের মৃত্যুর খবর শোনার পর সবার মধ্যে আবেগ সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি অনেক মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়ে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *