চুয়াডাঙ্গার দৌলতদিয়ার বাস কাউন্টার স্থানান্তরে জনসাধারণের ভোগান্তি – পূর্বের জায়গায় কাউন্টার ফেরানোর দাবি সচেতন মহলের

মাথাভাঙ্গা নদীর উপর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ, কারণ যত দিন মাথাভাঙ্গা নদীর উপর দিয়ে নতুন ব্রীজ স্থাপন না, হওয়া পযর্ন্ত। চুয়াডাঙ্গা শহরের সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চৌরাস্তার মোড়, কিন্তু এই মোড়ে এত যানবাহন চলাচল করে সেই জ্যাম ঠেকাতে, চুয়াডাঙ্গা ট্রাফিক পুলিশ হিমশিম খাচ্ছেন, তার উপর আবার, লোকাল কাউন্টার। এই লোকাল কাউন্টার হওয়ার কারণে যে কোনো সময় একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলাসহ বিভিন্ন জেলার সাধারণ মানুষ তাদের জানা ছিলো, লোকাল কাউন্টার মাথাভাঙ্গা নদীর ওপার দৌলতদিয়ার নামক স্থানে লোকাল কাউন্টার ছিলো, কিন্তু হঠাৎ করে কেমন যেনও সব কিছু উল্টে যায়। বেশ কয়েক বছর ধরে দৌলতদারের লোকাল কাউন্টার চলে আশে মাথাভাঙ্গা ব্রীজের এই পাশে, এই লোকাল কাউন্টার আশার পর থেকে সাধারণ মানুষ চলাচল করতে অসুবিধা হয়। সচেতন মহলের মধ্যে এখন শুধু একটা কথা, মাথাভাঙ্গা ব্রীজ একটা বহু পুরাতন ব্রীজ এই ব্রীজটি যাতে ভেঙ্গে পড়ে না যায়। নতুন ব্রীজ তৈরী করা পযর্ন্ত, সেই কারনে সরকার তিন কোটি টাকা ব্যায় করে পুরাতন ব্রীজ মেরামত করতে হয়। সেই কারনে সি এম বি তাদের অফিস থেকে প্রত্যেক দিন মাথাভাঙ্গা ব্রীজের পাশে দাড়িয়ে পাহারা দেয়। যাতে করে কোনও বড় যানবাহন চলাচল করতে না, পারে, কিন্তু লোকাল বাস কাউন্টার দৌলতদিয়ার থেকে কেনও? মাথাভাঙ্গা ব্রীজের এই পাশে কাউন্টার তৈরী করা হইল। এই লোকাল কাউন্টার এপারে আশার পর থেকে ব্যস্ততম শহর চুয়াডাঙ্গা চৌরাস্তার মোড়ে ব্যপক যানযট এমন যানযট সৃষ্টি করছে। চুয়াডাঙ্গা ট্রাফিক পুলিশ হিমশিম খাচ্ছেন ভাঙ্গা ব্রীজের সামনে লোকাল কাউন্টার এদিকে বিভিন্ন গাড়ি ঘোড়া সাধারণ মানুষের ভীড়, এ যেনো এক আজব কাহিনি। স্বাধীনতার ৪৫ বছর দৌলতদিয়ারে কাউন্টার ছিলো, আর যেই ব্রীজটা ভেঙ্গে পড়ে যাচ্ছে আর ৪ বছর ধরে দৌলতদার কাউন্টার ছেড়ে এপারে আশার কারণ কি? আজ যদি লোকাল বাস কাউন্টার দৌলতদারে থাকতো তবে ইজিবাইক আলমসাধুদের মধ্যে এত হানাহানি হত না, লোকাল কাউন্টার দৌলতদার থাকলে। ইজিবাইক ড্রাইভারা ওপারে গিয়ে মানুষ নামিয় দিয়ে আসতে পারে, এতে সবার জন্য মঙ্গলমহ হতও। আর মাথাভাঙ্গা ব্রীজের ভার কিছুটা কম হতো, তাই সকল কর্মকর্তার কাছে একটা দাবী লোকাল কাউন্টার পৃর্বে যেখানে ছিলো সেই জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের সচেতন মহল।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *