চিতলমারীতে বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে হুমকি, ইউএনওর কাছে অভিযোগ


বাগেরহাটের চিতলমারীতে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে হুমকি প্রদান করা হয়েছে। হুমকির পর ওই পরিবারের সদস্যরা ভীত সন্তস্ত্র হয়ে পড়েছেন। মঙ্গলবার (০৮ ফেব্রæয়ারী) দুপুরে অব্যাহত হুমকি থেকে রেহাই পেতে ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে মৃত ওই বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে একটি লিখিত আবেদন করেছেন।
মঙ্গলবার (০৮ ফেব্রæয়ারী) বিকেলে উপজেলার পাটরপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী মোসাম্মাৎ করিমন বেগম (৬০) স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, তাঁর স্বামী মৃত-বীর মুক্তিযোদ্ধা বাচ্চু মিয়া বিশ^াস। যার লাল মুক্তিবার্তা নং-০৪০৩০৪০২৯৭, গেজেট নং-৯৭১, সনদ নং-ম-২০৪৮২৪। তাঁর ছেলে মোঃ আল মামুন বিশ^াস সেনাবাহিনীর একজন গর্বিত সদস্য (ল্যান্সকর্পোরাল)। স্বামীর মৃত্যুর পর বর্তমানে তিনি ছেলের স্ত্রী ও তাঁদের সন্তানদের নিয়ে চরবানিয়ারী ইউনিয়নের শ্যামপাড়া খাদ্য গুদামের পাশে বসবাস করেন। মাঝে মধ্যে তাঁর ছেলে ছুটেতে বাড়িতে আসে। বাড়িতে আসলেই পাটরপাড়া গ্রামের মৃত-নুর মোহাম্মদ বিশ^াসের ছেলে মোঃ কামাল বিশ^াস (বর্তমানে চরবানিয়ারী ইউনিয়নের দূর্গাপুর মোড়ে বসবাস করে।) তাঁর ছেলে মোঃ আল মামুন বিশ^াসকে কারণেÑঅকারণে বিশ্রি ভাষায় গালিগালাজ করে এবং জীবন নাশের হুমকি দেয়। গত দুই-তিন দিন আগেও সে তাঁর ছেলেকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দিয়ে তাঁর নামে মিথ্যা মামলা দেবে বলে হুমকি দিয়েছে।
এছাড়া উক্ত কামাল বিশ^াস তাঁর মৃত স্বামী বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বিভিন্ন গালি দেয়। কামালের অব্যাহত হুমকিতে তাঁরা গোটা পরিবার ভীত সন্তস্ত্র হয়ে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে মোঃ কামাল বিশ^াস হুমকি-ধামকির কথা অস্বীকার করে জানান, মোসাম্মাৎ করিমন বেগম তাঁর বোন এবং মোঃ আল মামুন বিশ^াস ভাগিনা হয়। বোন ভাগিনাকে কি হুমকি দেয়া যায় ? ভাগিনার সাথে অন্য এক ব্যাক্তির জমি নিয়ে বিবাদ রয়েছে।
তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইয়েদা ফয়জুন্নেছা বলেন, অভিযোগপত্রটি এখনও হাতে পাইনি। বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্বের সাথে দেখব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব। #