চিতলমারীতে পথের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

বাগেরহাটের চিতলমারীতে পথের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২২ মে) বিকেল ৪ টায় চিতলমারী উপজেলা প্রেসক্লাবে এ সম্মেলন হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চিতলমারী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য ও দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলাম।
লিখিত বক্তব্য পাঠ করে মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, তিনি মোঃ ই¯্রাফিল মল্লিকের নিকট থেকে আড়–য়াবর্নি মৌজায় এস এ ২০ খতিয়ানের ২২৮ নং দাগের ৪ শতক জমি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর থেকে ৪ শতকে ভোগ দখলে আছেন। তাঁর আগে ওই জমির পাশে মো. টিপু হাওলাদার ও মোঃ হায়দার আলী বসবাস করতেন। তাঁদের বাড়ি থেকে রাস্তায় বের হবার কোন রাস্তা ছিল না। সকলের সম্মতিক্রমে চিতলমারী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের উপস্থিতে পরিষদের প্যাডে লিখিত আকারে স্থানীয় মো. কেরামত মোল্লার নিকট থেকে জমি ক্রয় করে রাস্তা নির্মাণ করা হয়। এই রাস্তায় প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচ হয়। এ সময় আরাফাতরা ১৯ হাজার, টিপু হাওলাদার ৪৩ হাজার, ই¯্রাফিল মল্লিক ৪৩ হাজার ও মোঃ হায়দার আলী ৩৫ হাজার টাকা দেন। রাস্তা তৈরি হওয়ার পর আরাফাতরা পিছনের বাড়ির লোকদের রাস্তা দিয়ে আসা-যাওয়ায় বাঁধা প্রদান করতে থাকেন। বহু চেষ্টা করেও তাঁদের প্রতিহত করা যাচ্ছে না। বর্তমানে আরাফাতরা তাঁদের সাথে খুব খারাপ আচরণ করছে। আরাফাত তার স্ত্রীকে দিয়ে বিভিন্ন ভাবে রবিউল ইসলামকে হয়রানির চেষ্টা করছে। এ ঘটনার সাথে আরাফাতের চাচাতো শ্যালক সোহেল শেখের সরাসরি যোগসাজশ রয়েছে। ওরা তাঁকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাই মো. রবিউল ইসলাম রাস্তার দাবিসহ চলাচলে বাধা প্রদানকারীদের বিচার দাবী করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা দলিল লেখক মো. হায়দার আলী শেখ ও গার্মেন্টস ব্যবসায়ী সাগর শেখসহ গ্রামবাসিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বাপারে সোহেল শেখ বলেন, ‘ওরা আমার বোন-ভগ্নিপতির উপর অন্যায় ভাবে অবিচার চালাচ্ছে। আমরা প্রশাসনের কাছে বিচার দাবি করেছি।’
মো.আরাফাত হাসান জানান, তাঁর বাবা মো. রফিকুল ইসলাম মোল্লা সাউথ আফ্রিকা প্রবাসি। মা রাশিদা বেগম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী। এলাকার একটি প্রভাবশালী চক্র তাঁদের সীমানার বেড়া ও ঘর ভাংচুর করেছে। বিষয়টি তিনি থানায় লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। #



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *