গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য এস এম কামাল সেলিমকে গণসংবর্ধনা


গোপালগঞ্জে সদ্য সমাপ্ত জেলা পরিষদ নির্বাচনে ২ওয়ার্ডের সদস্য পদে নবনির্বাচিত কাশিয়ানী উপজেলার পুইশুর ইউনিয়নের কৃতিসন্তান সিকদার সেলিমকে
গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২১অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় হাতিয়াড়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. জুয়েল সিকদারের বাড়িতে এই গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও সমাজ সেবক মো.ফায়েক উজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক অতুল চন্দ্র বিশ্বাস।
সঞ্চালনার পর্যায়ে নির্বাচিত জেলা পরিষদের সদস্য সিকদার সেলিমকে শত শত জনগণের পক্ষে ফুলের মালা দিয়ে গণসংবর্ধনা দেন ১ নং ওয়ার্ডের সদস্য মো.জুয়েল সিকদার।
এ গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.মোক্তার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে নির্বাচিত জেলা পরিষদের সদস্য এস এম কামাল সেলিম, হাতিয়াড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাবু দেব দুলাল বিশ্বাস, অধ্যাপক অতুল চন্দ্র বিশ্বাস ও রবিউল আলম রবি।
বিশিষ্ট জনের মধ্যে বক্তব্য দেন হাতিয়াড়া ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা কিরণ চন্দ্র, সাবেক সদস্য মুন সিকদার, তেঁতুলিয়ার সাবেক সদস্য ওমর ফারুক ওমর।
এছাড়াও বিশিষ্ট জনের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিলন হোসেন লেবু, সেলিম সিকদার, সাইফুল, মিঠু, জামির, জামাল, হিরু ও শাহজাহান সিকদার সহ অত্র এলাকার জনগণ ও গণমাধ্যমকর্মীগণ।
“পূর্ব প্রান্তের মানুষ অবহেলিত নয়, ভালো বাসা দিয়েই জয় করে নেয়”
এমনি শব্দ বিন্যাসে বক্তাবৃন্দ বলেন ১৯৭১ সাল থেকেই আমরা উপজেলার এই প্রান্তের মানুষ অবহেলিত জনগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত ছিলাম। আজ ভাগ্য আমাদের সহায়, কঠিন শ্রমের বিনিময়ে ভালো বাসায় অর্জিত আমাদের বিজয়। আমরাও পারি জিততে। আর পিছনে নয়, সামনের সারিতে আপনাদের সাথে নিয়ে থাকবো। আর অবহেলা নয়, দেশ নেত্রীর উন্নয়নের জোয়ার এই হাতিয়াড়া ইউনিয়নেও বইবে। আমার বিজয় আপনাদের শ্রমের ফসল, আপনাদের সাথে নিয়ে এলাকার উন্নয়ন অব্যাহত রাখবো। এখনো আলবদর, আল শামস রাজাকার বাহিনী ওৎ পেতে আছে সুযোগের অপেক্ষায়। তাই আসছে উপজেলা সম্মেলনে পরে সংসদ নির্বাচন আপনাদের পাশে থাকার জনবান্ধব ব্যক্তিকে জয় যুক্ত করবেন বলে আশা করি। আপনারা আমার পরম বন্ধু।
সদস্য মো. জুয়েল সিকদার আবেগাপ্লুত হয়ে তার ন্যায় পরায়নতা সততা নিষ্ঠা ও আদর্শকে তুলে ধরে তার দারিদ্র্যকে চিহ্নিত করে বলেন ২০০৩ থেকে এ পর্যন্ত আমি বার বার সদস্য নির্বাচিত হয়ে জনগণের খাদেম হয়ে কাজ করেছি। বিধায় আমার দারিদ্র্যতা আমাকে ছাড়েনি। আমার ভাঙ্গা ঘরেই শান্তি। যোগ্য একজন জেলা পরিষদের সদস্য পেয়েছি আমি ধন্য। আমি তাকে নিয়ে এলাকার উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করবো ইনশাআল্লাহ।