গোপালগঞ্জে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ধর্ষণ ! খবরের কাগজ থেকে ওয়েবসাইট, রোজ অন্তত একটা নৃশংস ধর্ষণের খবর যেন বাধা ধরা। গত কয়েক দিন আগে ধর্ষিতা হয়ে জিবন দিতে হয়েছে নবম শ্রেণির ছাত্রী হিরা মনির। এ খবর আজ এতটাই স্বাভাবিক যে আপনি হয়ত শুনে আর অবাক হন না। কিন্তু এই খবরটাতে হবেন। কারণ ধর্ষিতার থেকেও এই ঘটনার বেশি আলোচ্য ধর্ষক।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া গোপালগঞ্জের ধর্ষণের শিকার এক শিশুর কথা। গোপালগঞ্জে ৯ বছর বয়সের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সদর উপজেলার গোপীনাথপুরে এ ঘটনা ঘটে। রাতেই শিশুটিকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটির মা জানান, অসুস্থ শাশুড়ি ও ছেলে-মেয়েদের নিয়ে গোপীনাথপুর পশ্চিমপাড়ার নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। স্বামী ঢাকায় কাজী ফার্মের একটি শাখায় চাকুরি করেন। তিনি নিজেও কাজী ফার্মে কাজ করেন বলে জানান। মঙ্গলবার সকালে তিনি অফিসে যাওয়ার পর ওই শিশু অসুস্থ দাদীর জন্য পানি আনতে যায়। এ সময় পাশের বাড়ির মৃত খোকা খাঁর ছেলে রহিজ খাঁ (৩০) শিশুটিকে কৌশলে পাশের পাট ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে মেয়ের কান্নাকাটিতে পরিবারের লোকজনের জিজ্ঞাসায় সে ঘটনা খুলে বলে। সন্ধ্যায় অফিস থেকে বাড়িতে ফিরে ঘটনা শুনতে পান। এ সময় গোপীনাথপুর তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগ করে এবং রাতেই হাসপাতালে ভর্তি হয়। সমালোচনার ঝড় বইছে পুরো এলাকা জুড়ে।এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ কালে তারা বলেন নির্মমভাবে ধর্ষণের এ ঘটনায় আমরা মর্মাহত, ব্যথিত।

আমরা যখন করোনাভাইরাস মহামারীর সাথে লড়াই করছি। ঠিক সেই সময় এই শিশু ধর্ষনের ঘটনা আমাদেরকে লজ্জিত করেছে। আজ আমাদের মা-বোনের নিরাপদ নয়। কিছু নরপিশাচ, নরপশু, লম্পট প্রতিনিয়ত ধর্ষণের মত জঘন্য অপরাধ করে বেড়াচ্ছে। এখনই যদি সরকার এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেয় তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা বেড়েই চলবে। তাই এখনই সময় এসব নরপশুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার। অনতিবিলম্বে দোষিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান এলাবাসী।

গোপীনাথপুর তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক আবু নাঈম বলেন, অভিযোগ পেয়ে আমরা রাতেই অভিযুক্ত রহিজ খাঁর বাড়িতে গিয়েছি। তবে তাকে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. অসিত কুমার মল্লিক বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে রাতে ৯ বছরের এক শিশু ভর্তি হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার পর আমরা বলতে পারব শিশুটি ধর্ষণের স্বীকার হয়েছে কি না।

 



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *