গোপালগঞ্জে বশেমুরবিপ্রবির গাড়িচাঁপা থেকে অল্পের জন্য প্রানে বাঁচলো এক সাংবাদিক।

গোপালগঞ্জ জেলার গোবরা ইউনিয়নে অবস্থিত শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়। প্রতিদিন সকাল বিকাল বিশ^বিদ্যালয় থেকে এক সাথে ৪/৫ টি ছাত্র-ছাত্রী বাহী বড় গাড়ি বের হয়। তাও আবার বেশির ভাগ সময় চলাচল করে শহরের ভিতরকার শরু রাস্তা দিয়ে। এই সকল গাড়ির ড্রাইভারা বেশিরভাগই গোপালগঞ্জের বাসিন্দা। এদের বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারনে ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে রাস্তায় চলাচলের পথযাত্রীরা। এদের বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারনে পূর্বেও বিশ^বিদ্যালয়ের সামনে একই বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর জীবন কেড়ে নিয়েছিল। কিছুদিন পূর্বে বিশ^বিদ্যালয়ে ড্রাইভারদের সাথে ছাত্রদের তুমুল গোন্ডোগোলের ঘটনা ঘটে এতে ড্রাইভার ও শিক্ষার্থী উভয়েই গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। বিশ^বিদ্যালয় কর্তিপক্ষ ২ জন ড্রাইভারকে বরখাস্ত করে। এ ব্যপারে বিভিন্ন পত্রিকায় লেখা ছাপা হয়। একের পর এক দূঃঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে বশেমুরবিপ্রবির ছাত্র-ছাত্রী বহনকারী গাড়ির ড্রাইভাররা। রাস্থায় চলাচল সাধারন পথচারিরা ড্রাইভারদের কিছু বললে, বলে আপনাদের কোন টাইম নাই। গোপালগঞ্জ জেলা প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক, দৈনিক ভোরের বানীর চীফ রিপোটার এ.জেড আমিনুজ্জামান (রিপন) অল্পের জন্য জীবন বেঁচে যায়, গতকাল দুপুর রোজ সোমবার ৮/০৮/২০২২ ইং তারিখে গোপালগঞ্জ পাচুড়িয়া বাসষ্টান্ড পার হয়ে বিশ^ বিদ্যালয়ের একটি গাড়ীর ড্রাইভারারের বেপরোয় গাড়ী চালানোর কারনে একটুর জন্য জীবন বেঁচে গেল এই সাংবাদিকের। পরবর্তিতে ওই ড্রইভারকে ঠিক মতো গাড়ি চালাতে বললে তিনি বলেন আপনার কোন টাইম নাই। আমিও গোপালগঞ্জের ছেলে। এ ব্যপারে বিশ^বিদ্যলয় কতিপক্ষ সহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্র্ষন করছি এবং অদক্ষ ড্রাইভারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান করছি যাতে ভবিৎষতে এরুপ দূঃঘটনা পুনরায় না হয় ।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *