গোপালগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে জমির ফসল ধ্বংস

গোপালগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে জমির ফসল ধ্বংস

পূর্বশত্রুতার জের ধরে গোপালগঞ্জে পাটের জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে চাষ দিয়ে ৫০ শতাংশ জমির পাটের চারা বিনষ্টের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি সদর উপজেলার জালারাবাদ ইউনিয়নের মাটলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যপারে জমির মালিক জিয়াউল হক মুন্সি বাদি হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় কৃষিজমির ফসলের ক্ষতি সাধনের অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে এবটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন, ওই ইউনিয়নের মাটলা গ্রামের গিয়াস সিকদারের ছেলে মো. জহির উদ্দিন, মোহাম্মদ সিকদারের ছেলে বিল্লাল সিকদার, ছক্কাত সিকদারের ছেলে মাহফুজ শিকদার ও হালিম শিকদারের ছেলে রাজু সিকদার।

জিয়াউল হক মুন্সির অভিযোগে জানা যায়, পৈত্রিকসূত্রে পাওয়া ১১ নং তেতুলিয়া-দূর্গাপুর মৌজার ৬ নং খতিয়ানের ১২৯৫ ও ১৩০১ দাগের প্রায় ৫০ শতাংশ জামির চারা পাট গাছ অভিযুক্তরা ট্রাক্টর দিয়ে চাষ দিয়ে উপড়ে ফেলেছে। এতে তাদের প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন হয়। পরে আমরা স্থানীয় ইউপি চেয়াম্যান ও মেম্বারকে বিষয়টি জানাই। কিন্তু তারা সমাধানের আশ্বাস দিলেও পরবর্তীতে তারা বিষয়টির কোন সুরাহা করেননি। ফলে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছি। অভিযুক্ত জহির উদ্দিন সিকদার বলেন, এসএ রেকর্ডে ওই জমিটি জিয়াউর হক মুন্সির নাম থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে তারা ভোগদখলে আছেন।

তাদের বাড়ীতে না থাকার সুযোগে জিয়াউল হক মুন্সি তার লোকজন দিয়ে ওই জমি চাষ করে পাট বপন করে। পরে বিষয়টি আমরা জানতে পেরে আমাদের সত্ত¡ ঠিক রাখতে ট্রাক্টর জমি থেকে পাট উপড়ে ফেলেছি। জালালাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম সুপারুল আলম (টিকে) বলেন, জমির পাট নষ্ট করেছে বিষয়টা আমরা জানতে পেরেছি বিবাদির কাছ থেকে।

বাদিপক্ষ আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত বলেনি। এলাকার শান্তি-শংখলা রক্ষার্থে উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে মিমাংসা করার চেষ্ট চলছে। গোপীনাথপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক বিপ্লব কুমার দাস বলেন, ফসল ধ্বংসের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। যে যখন সুযোগ পান, সে তখন জমিটি দখলে যান। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির করার জন্য উভয় পক্ষকে বলা হয়েছে। বাদীপক্ষকে নিয়ে বিষয়টি মীমাংসার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *