বক্তাগণ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির আলোকে উপ-সহকারী প্রকৌশলী সমমানের পদ থেকে সহকারী প্রকৌশলী সমমানের পদে পদোন্নতির কোটা ৫০ শতাংশে উন্নতিকরণ, প্রাথমিক নিযুক্তিতে স্পেশাল ইনক্রিমেন্ট প্রদান, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) ২০২০ ও ঢাকা ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ২০০৮ এর সংশোধিত গেজেট প্রকাশের দাবি জানান।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ পলিটেকনিক, টিএসসি, এসএসসি (ভোক) এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়াধীন টিটিসির শিক্ষক-কর্মচারির শূন্য পদ পূরণসহ শিক্ষক সংকট নিরসন, স্থায়ীকরণ, পদোন্নতি, কারিগরি শিক্ষার শিক্ষার্থীদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং ভাতা ও বৃত্তির টাকা আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির সুপারিশের পুরোপুরি বাস্তবায়ন, পলিটেকনিক শিক্ষায় বিদ্যমান ক্লাসরুম, ল্যাব, ওয়ার্কসপ, কাঁচামাল সংকট নিরসনসহ বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের নূন্যতম বেতন স্কেল নির্ধারণ ও সম্মানজনক পদবী প্রদানের জন্য দাবি জানান।
অন্যদিকে সকল সংস্থায় আন্তর্জাতিক ইঞ্জিনিয়ারিং টীম কনসেপ্ট অনুসারে ১ঃ৫ অনুপাতে গ্রহণযোগ্য অর্গানোগ্রাম প্রণয়ন, স্টেপ প্রকল্পের শিক্ষকদের নিয়মিতকরণ, মেরিন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের যোগ্যতা অনুযায়ী সিডিসি সনদ প্রদানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অবিলম্বে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানান।
আইডিইবি গোপালগঞ্জ জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক মো. আতিয়ার রসুল হিমেলের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, আইডিইবি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি কে এম আমিনুর রহমান, আইডিবি গোপালগঞ্জ শাখার সদস্য মো. আমিরুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ সওজ -এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মতিয়ার রহমান প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র-শিক্ষক পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ ও সদস্য প্রকৌশলীগণ গোপালগঞ্জ আইডিইবি কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ ওই সড়কের বেশ কিছুদূর গিয়ে পুনরায় কার্যালয়ের সামনে ফিরে শেষ হয়। এ সময় তারা দাবির সপক্ষে বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।