কৃষক নায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত

হরিপুরে জনজীবনে দুর্ভোগ গ্রামাঞ্চলের ৯০% রাস্তা চলাচলের অযোগ্য, কৃষক নায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত। ঠাকুরগাঁও জেলা হরিপুর উত্তর জনপদের সীমানা ঘেঁষে ভারত, মূলতঃ কৃষি কাজেই প্রধান আয়ের উৎস হলে ভোগান্তির শেষ নেই। কখনো খরা, কখনো অতি বৃষ্টি, কখনো ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট, নানা কারণে এই অঞ্চলের কৃষক কৃষি পণ্যের নায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে নানা প্রতিকূল পরিবেশে নিদারুন কষ্টে জীবিকা নির্বাহ করতো।

এখন কিছুটা কৃষকের সোনালী দিন এলেও উপরোক্ত কারণে কৃষকের মুখে হাসি জুটেনি। গত তিরিশ বছরের কৃষকের ফসলি জমিতে ফসল যেভাবে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই তুলনায় সমবায় ভিত্তিক কোন হিমাগার বা সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই। বর্তমানে বাজারের নিয়ে যাওয়ার রাস্তা পরিবহনের সমস্যার কারণে সংসারের খরচের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয়ে বাধ্য হয়ে স্বল্প দামে পণ্য বিক্রয় করে, মূলত বেশির ভাগ রাস্তায় চলাচলের অযোগ্য। বাজারে বিক্রয়ের যে যানবাহন গুলো বহন করে নিয়ে যাবে বিকল্প কোন পথ নেই। হরিপুর উপজেলার বিভিন্ন রাস্তা গুলোর চিত্রঃ যেমনঃ ১ নং গেদূরা ইউনিয়ন মিরমনচাদরের গ্রাম হয়ে গেরুয়া ডাংগীর রাস্তা , ডাবরীর রাস্তা, মননাটুলি হয়ে গেরুয়া ডাংগী, দক্ষিন আটঘরিয়া হয়ে জেবুল পারা, পশ্চিম আটঘরিয়া হয়ে কাঁঠাল ডাংগী টংতলা, সুন্দরী মোড় হয়ে মারাধার কলনী, মেদনী সাগর হয়ে দক্ষিণে লোহাকাচী ,২নং আমগাও ইউনিয়নের মূল রাস্তা যাদুরানী হতে আমগাঁও পর্যন্ত, বাকী সব গ্রামীণ রাস্তা গুলোর বেহাল দশা।

৩নং বকুয়া ইউনিয়নের কাদসুকা হতে বুজরুক গ্রাম,বলিহন্ড হতে বুজরুক হয়ে ক্যাম্প পর্যন্ত, রুহিয়া গ্রামের রাস্তা, সকলভিটা বেতবাড়ীর রাস্তা, নয়াটলী হয়ে বকুয়া পর্যন্ত রাস্তা, ধুমডাংগী গ্রামের রাস্তা, কাসুয়াপাড়া গ্রামের রাস্তা, ৪ নং ডাংগীপারা ইউনিয়নের লৌহ চাঁদ হয়ে ভাত ডাংগীর রাস্তা পর্যন্ত, চৌরঙ্গী থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণে মালীপারা পর্যন্ত রাস্তা, দস্তমপুর হয়ে ফাল ডাংগী হয়ে চৌরঙ্গী পর্যন্ত রাস্তা, ডাংগীপারা স্কুল হয়ে কামাত পর্যন্ত রাস্তা, ডাংগীপারা স্কুল মোর হতে পশ্চিমে কান্ধাল পর্যন্ত, কান্ধাল হতে দক্ষিনে কুয়ালিম পর্যন্ত। ,,(৫ নং) হরিপুর ইউনিয়নের, তোররা বাজার থেকে দক্ষিণে সাত হাজরা পর্যন্ত রাস্তা, পাহাড় গ্রাম থেকে ইসলামপুর পর্যন্ত রাস্তা, মশানগাও গ্রামের রাস্তা। হাগরী বুড়ী মসজিদ হতে সলাহার পর্যন্ত রাস্তা।

( ৬) ভাতুরিয়া ইউনিয়নের, ভাতুরিয়া গ্রামের রাস্তা, খোলড়া হতে বহতি পর্যন্ত, মাগুরা হয়ে শিশুডাংগী পর্যন্ত, ধাকদহগোপালপুর গ্রামের রাস্তা, ঝারবাড়ী বেল ডাংগী মধুডাঙ্গী গ্রামের রাস্তা, দিলগাও গ্রামের রাস্তা, সকল গ্রামীন রাস্তা চলাচলের অযোগ্য। দুই দশকে এরকম বৃষ্টিপাত বেশি হয়নি ফলে এই অবস্থা। এই যেমন বোরোধান আশাতীত ফলন হয়েছে এবং তেমনি মূল্য আশানুরূপ পেয়েছে। যে সব কৃষক দেরী রোপণ করে বোরোধান তাঁরা নানা ভোগান্তিতে পরেছ।এই অঞ্চলে ভুট্টা চাষ ব্যাপক হয়, অগ্রীম ভুট্টার সন্তোষজনক দাম পেলেও দেরীতে রোপণ করা ভুট্টা বেহালদশা। আগামীতে রাস্তা গুলোর পাকা করণ বা ইটের রাবিস দিয়ে সংস্কার না করলে জনগনের ভোগান্তির শেষ থাকবে না। জনগন আশা বাদী অচীরেই রাস্তা গুলোর মেরামতের।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *