Header Border

ঢাকা, রবিবার, ১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) ২৮.৯৬°সে
শিরোনাম:
মুস্তাফিজের প্রশংসায় ভারতীয় সাবেক ক্রিকেটার বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর নতুন প্রেস সচিবের শ্রদ্ধা ফকিরহাট উপজেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন নওগাঁর রাণীনগরে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা মামলায় যুবক গ্রেফতার এলজিইডি’র বাস্তবায়নে মুকসুদপুরের বিলচান্দা গ্রামের মানুষ শহরের সুবিধা পেতে চলেছে  টুঙ্গিপাড়ায় প্রত্যাগত অভিবাসীদের নিয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সেমিনার রাণীনগরে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ বরিশাল নগরীর কাউনিয়ায় কন্যা শিশুসহ পিতার গলা#কাটা লা#শ উদ্ধার।। ফকিরহাটে জমি ও পাকা ঘর পেল আরো ১৫০টি পরিবার কেউ আঘাত করলে দাঁতভাঙা জবাব দিতে আমরা পুরোপুরি সক্ষম এবং সদা প্রস্তুত- টুঙ্গিপাড়ায় বিমান বাহিনীর প্রধান

আজ ৮ ই আগস্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০ তম জন্মজয়ন্তী

 কোন কালে একা হয়নি কো জয়ী পুরুষের তরবারি , শক্তি দিয়াছে প্রেরণা দিয়েছে বিজয় লক্ষ্মী নারী’ কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার এই ক’টি লাইনের যে তাৎপর্য তা বাস্তব জীবনে অনেকের মধ্যে দেখা যায়। বাংলাদেশের দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামে, দেশ গঠনের ভূমিকায়, সুখে দুঃখে যার নাম উচ্চারিত হয়, তিনি বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তাঁর আদরের নাম রেণু। ১৯৩০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবার নাম শেখ জহুরুল হক এবং মায়ের নাম হোসনে আরা বেগম। একভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। খোকা থেকে মুজিব, মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু এবং সবশেষে বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা হয়ে ওঠার পেছনে যে নারীর অবদান অনস্বীকার্য তিনি আর কেউ নন, তিনি আমাদের শতভিষা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব শৈশবে বাবা-মাকে হারানোর পর শেখ ফজিলাতুন্নেছা বেড়ে ওঠেন দাদা শেখ কাশেমের কাছে। মাতৃস্নেহে আগলে রাখেন তার চাচি এবং পরবর্তীতে শাশুড়ি বঙ্গবন্ধুর মা সায়েরা খাতুন। পিতার অভাব বুঝতে দেননি বঙ্গবন্ধুর বাবা শেখ লুৎফুর রহমান। তাদের আদরেই বড় হয়ে ওঠেন তিনি। নিজের সন্তানদের সঙ্গে শৈশবে শেখ ফজিলাতুন্নেছাকেও ভর্তি করিয়ে দেন স্থানীয় মিশনারি স্কুলে। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া আর এগোয়নি। তবে ঘরে বসেই পড়াশোনা করেছেন তিনি। অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব লিখেছেন,রেণুর যখন পাঁচ বছর বয়স তখন তার মা মারা যান। একমাত্র রইলো তার দাদা। দাদাও রেণুর সাতবছর বয়সে মারা যান। তারপর, সে আমার মা’র কাছে চলে আসে। আমার ভাইবোনদের সাথেই রেণু বড় হয়। ’ মাত্র ১৩ বছর বয়সে শেখ মুজিবের সঙ্গে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন তিনি। বিয়ে সম্পর্কে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, ‘‘আমার যখন বিবাহ হয় তখন আমার বয়স বার তের বছর হতে পারে। রেণুর বাবা মারা যাবার পরে ওর দাদা আমার আব্বাকে ডেকে বললেন, ‘তোমার বড় ছেলের সাথে আমার এক নাতনীর বিবাহ দিতে হবে। কারণ, আমি সমস্ত সম্পত্তি ওদের দুইবোনকে লিখে দিয়ে যাব। ’ রেণুর দাদা আমার আব্বার চাচা। মুরব্বির হুকুম মানার জন্যই রেণুর সাথে আমার বিবাহ রেজিস্ট্রি করে ফেলা হল। আমি শুনলাম আমার বিবাহ হয়েছে। তখন কিছুই বুঝতাম না, রেণুর বয়স তখন বোধহয় তিন বছর হবে। ’’ বিয়ে হলেও বঙ্গবন্ধু এন্ট্রান্স পাস করার পরই মূলত তাদের সংসার জীবন শুরু হয়। তাদের বিয়ের ফুলশয্যা হয়েছিল ১৯৪২ সালে। এ বছরই তিনি ভর্তি হন কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে। সেখানেই তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ঘটে। এই সময়টায় বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে সময় কাটতো বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের। প্রাতিষ্ঠানিক কোনো ধরনের শিক্ষা ছাড়াই তিনি ছিলেন সূক্ষ্ম প্রতিভাসম্পন্ন জ্ঞানী, বুদ্ধিদীপ্ত, দায়িত্ববান ও ধৈর্যশীল। জাতির পিতার ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ লেখার ক্ষেত্রেও মূল প্রেরণা ও উৎসাহ ছিল তার। শেখ মুজিব তার আত্মজীবনীতেও সহধর্মিণীর সেই অবদানের কথা স্মরণ করেছেন। জীবনসংগ্রামের সব কণ্টকাকীর্ণ পথ অতিক্রম করে তিনি পরিবারও সামলেছেন বেশ গুছিয়ে। সবকিছুর পরও তিনিই ছিলেন বঙ্গবন্ধুর জীবনের রাজনীতির শ্রেষ্ঠ ছায়াসঙ্গী। তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যখনই প্রয়োজন হয়েছে তখনই সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় আওয়ামী লীগ ও নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন তিনি। আন্দোলনের সময়ও তিনি প্রতিটি ঘটনা জেলখানায় দেখা করার সময় বঙ্গবন্ধুকে অবহিত করতেন। সেখানে বঙ্গবন্ধুর পরামর্শ শুনে তা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাদের জানিয়ে দিতেন বঙ্গমাতা। অন্যদিকে কারাগারে সাক্ষাৎ করে বঙ্গবন্ধুর মনোবল দৃঢ় রাখতেও সহায়তা করতেন তিনি। বঙ্গবন্ধু যখন কারাগারে তখন বাঙালি মুক্তির সনদ ৬ দফা কর্মসূচি সফলের ক্ষেত্রেও তার রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। কলকাতায় অবস্থানকালে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত স্বামী শেখ মুজিবের যখনই অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হতো তখনই পিতৃ সম্পত্তি থেকে অর্জিত অর্থ বিনা দ্বিধায় পাঠিয়ে দিতেন তিনি। স্বাধীনতা যুদ্ধ সহ সকল রাজনৈতিক আন্দোলনে তার ভুমিকা ছিল ব্যপক। স্বাধীনতার পর বীরাঙ্গনাদের উদ্দেশ্যে বঙ্গমাতা বলেন, ‘আমি তোমাদের মা। ’ তিনি বলেন, ‘এই বীরাঙ্গনা রমণীদের জন্য জাতি গর্বিত। তাদের লজ্জা কিংবা গ্লানিবোধের কোনো কারণ নেই। কেননা তারাই প্রথম প্রমাণ করেছেন যে, কেবল বাংলাদেশের ছেলেরাই নয়, মেয়েরাও আত্মমর্যাদাবোধে কী অসম্ভব বলীয়ান। আজ সেই সূক্ষ্ম প্রতিভাসম্পন্ন জ্ঞানী, বুদ্ধিদীপ্ত, দায়িত্ববান ও ধৈর্যশীল রমণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের 90 তম জন্মদিনে দৈনিক শতবর্ষ পরিবারের পক্ষ থেকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি ও সালাম।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর নতুন প্রেস সচিবের শ্রদ্ধা
ফকিরহাট উপজেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন
নওগাঁর রাণীনগরে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা মামলায় যুবক গ্রেফতার
এলজিইডি’র বাস্তবায়নে মুকসুদপুরের বিলচান্দা গ্রামের মানুষ শহরের সুবিধা পেতে চলেছে 
টুঙ্গিপাড়ায় প্রত্যাগত অভিবাসীদের নিয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সেমিনার
রাণীনগরে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ

আরও খবর

İstifadəçi rəyləri Pin Up casino seyrək göstərilən xidmətlərin keyfiyyətini təsdiqləyir. azərbaycan pinup Qeydiyyat zamanı valyutanı seçə bilərsiniz, bundan sonra onu dəyişdirmək mümkün xeyr. pin-up Bunun üçün rəsmi internet saytına iç olub qeydiyyatdan keçməlisiniz. pin up Además, es de muy alto impacto y de una sadeed inigualable. ola bilərsiniz